এনভিডিয়ার তৈরি আকারে ছোট এআই সুপারকম্পিউটারের দাম কত
প্রকাশ: ১৫ অক্টোবর ২০২৫, ০৪: ১৮
ডিজিএক্স স্পার্ক এআই সুপারকম্পিউটার আকারে ছোট হওয়ায় সহজেই ব্যবহার করা যাবেএনভিডিয়া
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিনির্ভর গবেষণাকে আরও সহজ ও ব্যক্তিগত পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে আকারে ছোট এআই সুপারকম্পিউটার বিক্রি শুরু করেছে এনভিডিয়া। ‘ডিজিএক্স স্পার্ক’ নামের ব্যক্তিগত এআই সুপারকম্পিউটারটির বিষয়ে এনভিডিয়া জানিয়েছে, এই যন্ত্রের মাধ্যমে গবেষক, বিজ্ঞানী ও শিক্ষার্থীরা এখন নিজস্ব কর্মপরিসরে জটিল এআই মডেল তৈরি করতে ও প্রশিক্ষণ দিতে পারবেন। ফলে এআই গবেষণায় এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে। ডিজিএক্স স্পার্ক এআই সুপারকম্পিউটারটির নাম প্রথমে ‘ডিজিটস’ রাখা হয়েছিল। এনভিডিয়ার সর্বশেষ প্রযুক্তির জিবি১০ গ্রেস ব্ল্যাকওয়েল প্রসেসরে চলা সুপার কম্পিউটারটিতে রয়েছে ১২৮ গিগাবাইট ইউনিফায়েড মেমরি এবং সর্বোচ্চ ৪ টেরাবাইট এনভিএমই এসএসডি ধারণক্ষমতা। এনভিডিয়ার দাবি, সুপার কম্পিউটারটি প্রতি সেকেন্ডে এক পেটাফ্লপ পর্যন্ত গণনা করতে পারে। ফলে সুপার কম্পিউটারটির মাধ্যমে ২০০ বিলিয়ন প্যারামিটারবিশিষ্ট এআই মডেলও নির্বিঘ্নে চালানো যাবে। আকারে ছোট হলেও ডিজিএক্স স্পার্কের নকশা এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যাতে এটি ডেস্কে সহজে স্থাপন করা যায় এবং সাধারণ বিদ্যুৎ সংযোগেই চালানো যায়। শুধু তা–ই নয়, তৃতীয় পক্ষের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানও ডিজিএক্স স্পার্কের নিজস্ব সংস্করণ তৈরি করতে পারবে। ডিজিএক্স স্পার্কের দাম ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৯৯৯ মার্কিন ডলার বা প্রায় ৪ লাখ ৮৮ হাজার টাকা (প্রতি ডলারের দাম ১২২ টাকা ধরে)। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি এনভিডিয়ার ওয়েবসাইট থেকে কেনা যাবে সুপারকম্পিউটারটি।
সৌরজগতে থাকা রহস্যময় বস্তু নিয়ে কৌতূহল
প্রকাশ: ১৫ অক্টোবর ২০২৫, ০৪: ৪১
সৌরজগতে রহস্যময় বস্তু শনাক্ত করেছেন বিজ্ঞানীরাফ্রিপিক
সৌরজগতে রহস্যময় বস্তু শনাক্ত করেছেন বিজ্ঞানীরা। বস্তুটির বৈজ্ঞানিক নাম ২০২৩ কেকিউ১৪। অ্যামোনাইট নামে পরিচিত এই রহস্যময় বস্তু কক্ষপথের নিয়ম মানছে না বলে ধারণা করছেন বিজ্ঞানীরা। সেডনয়েড নামের বিরল ট্রান্স-নেপচুনিয়ান ক্ষুদ্র শ্রেণির অন্তর্গত বস্তুটি নেপচুনের কক্ষপথের অনেক দূরে অবস্থান করছে।তাইওয়ানের একাডেমিয়া সিনিকা ইনস্টিটিউট অব অ্যাস্ট্রোনমি অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোফিজিকসের বিজ্ঞানী ই-টুং চেনের নেতৃত্বে বিভিন্ন দেশের একদল বিজ্ঞানী বস্তুটি শনাক্ত করেছেন। বস্তুটির গতিপথ আগে আবিষ্কৃত হওয়া তিনটি সেডনয়েডের গতিপথের সঙ্গে মিলছে না। এই অমিলের কারণে বস্তুটি লুকানো কোনো দূরবর্তী গ্রহ কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বস্তুটি প্রাথমিক সৌরজগতের ধারণাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। বিজ্ঞানীদের তথ্যমতে, অ্যামোনাইট নামে বস্তুটি সূর্যের সবচেয়ে কাছে আসে ৬৬ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিট দূরত্বে। ধারণা করা হচ্ছে, অ্যামোনাইটের কক্ষপথ কোটি কোটি বছর ধরে স্থিতিশীল রয়েছে। তবে অ্যামোনাইট যদি সৌরজগতের কোনো দূরবর্তী গ্রহ হয়, তবে তার কক্ষপথ সম্ভবত আরও দূরে হতে পারে। অ্যামোনাইটের অবস্থান নেপচুনের সরাসরি মহাকর্ষীয় প্রভাবের বাইরে হওয়ায় বিজ্ঞানীদের সামনে ৪০০ কোটি বছর আগের সৌরজগৎ কেমন ছিল, তা জানার সুযোগ তৈরি হয়েছে। অধিকাংশ দূরবর্তী ছোট বস্তু নেপচুনের কাছাকাছি থাকে। তারা নেপচুনের মাধ্যাকর্ষণ দ্বারা প্রবলভাবে প্রভাবিত হয়। সেডনয়েড ধরনের বস্তুর ক্ষেত্রে তা দেখা যায় না। অন্য কোনো শক্তি বহু বছর আগে এদের দূরে ঠেলে দিয়েছে বলে মনে করা হয়। অ্যামোনাইট আবিষ্কারের ফলে সেডনয়েডের তালিকায় এখন চারটি বস্তু অন্তর্ভুক্ত হলো। প্রতিটি বস্তুই সৌরজগতের বাইরের অংশের গঠন ও বিবর্তন কীভাবে ঘটেছে, সেই ধারণাকে প্রশ্নের মুখে ফেলছে। এ বিষয়ে বিজ্ঞানী ইয়িং-টুং চেন বলেন, অ্যামোনাইট খুঁজে পাওয়ার কারণে সৌরজগতের সীমান্তে ধাঁধার একটি অনুপস্থিত টুকরা আবিষ্কার করা গেছে। সূত্র: আর্থ ডটকম